বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

উন্নয়ন রিপোর্ট

এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’

এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী নারীর তকমা দিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম হাফিংটন পোস্ট। বুধবার আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচে পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সহজ জয় পাওয়া, স্বশরীরে মিরপুর স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে দলকে সমর্থন দেয়া ও বিজয়ের মুহূর্তে বাঁধভাঙ্গা উল্লাসে শামিল হওয়ায় শেখ হাসিনাকে নিয়ে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তারা। 

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার ‘খেলাপাগল’ রাজনীতিবিদ জন হাওয়ার্ড এবং বব হকি এর নাম উল্লেখ করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজয়ের মুহূর্তে সঠিক সময়ে মাঠে গিয়ে দলের সবাইকে উৎসাহিত করা শেখ হাসিনার পুরনো অভ্যাস।

দেশীয় পশুতেই কোরবানির চাহিদা মিটবে

দেশীয় পশুতেই কোরবানির চাহিদা মিটবে

চলতি বছর দেশে কোরবানির উপযোগী পশুর সংকট নেই। চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট পরিমাণে গরু, ছাগল ও মহিষ রয়েছে। যা দিয়ে কোরবানির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। তবে বন্যার কারণে গরু নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন খামারিরা। সেইসঙ্গে ভারতীয় গরুর আমদানি বাড়ায় ন্যায্যদাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত তারা।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসেবে, বর্তমানে দেশে কোরবানিযোগ্য পশু আছে এক কোটি ১৫ লাখ ৫৭ হাজার। গত বছর কোরবানি উপলক্ষে সারা দেশে এক কোটি পাঁচ লাখ গবাদিপশু বিক্রি হয়। এরআগে ২০১৫ সালে কোরবানি উপলক্ষে বিক্রি হয় ৯৬ লাখ ৩৫ হাজার গবাদিপশু। সে হিসেবে এবার চাহিদার তুলনায় গবাদিপশু বেশি রয়েছে। গতবারের চেয়ে এবার চাহিদা বাড়লেও পশুর সংকট হওয়ার কারণ নেই।

প্রতিদিন ২ কিলোমিটার সাঁতার কেটে অফিসে!

প্রতিদিন ২ কিলোমিটার  সাঁতার কেটে অফিসে!

কাকডাকা ভোরে অফিসে যেতে কারোই হয়তো ভালো লাগে না। সেই মুহূর্তে মনে হয়, আজ অফিসটা না থাকলে কতই না ভালো হতো। কারণ রাস্তার যানজট কিংবা গরমে বাসে উঠে ঠাসাঠাসি করে ঠিক সময়ে অফিসে পৌঁছানো খুব একটা সহজ নয়। কিন্তু বেনিয়ামিন ডাভিডের কথা সবার থেকে আলাদা। প্রতিদিন ২ কিলোমিটার সাঁতার কেটে অফিসে যান তিনি।

জার্মানির মিউনিখ শহরে বাসিন্দা বেনিয়ামিন ডাভিড। ঠিক সময়ে অফিসে পৌঁছাতে প্রতিদিন নদী সাঁতরে অফিসে যান তিনি। বেনিয়ামিন যদি সড়কপথে অফিসে যেতেন তবে দু-বার গাড়ি বদল করতে হতো। তারপর রাস্তায় থাকতো জ্যাম ও বাস পাওয়া না পাওয়ার ভয়। আবার তার মতে, বাসে গাড়িতে যাওয়ার ঝক্কি ঝামেলা বেশি। আর এতে নষ্ট হতো অনেক সময়। তাই তিনি ইসার নদীতে সাঁতার কেটে খুব সহজ ও ঠিক সময়ে পৌঁছে যান অফিসে।

‘ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন

‘ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক এ্যাডভাইজরি প্যানেলের বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের কল্যাণে নিরবচ্ছিন্ন ও উদ্ভাবনীমূলক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আজ ‘ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’- এ ভূষিত হলেন।

প্রিন্সটন ক্লাব অফ নিউইয়র্কে আয়োজিত সিমা কলাইনু নামে নিউইয়র্ক ভিত্তিক একটি শিশু অটিজম কেন্দ্র ও স্কুল এবং এর আন্তর্জাতিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘আই কেয়ার ফর অটিজম’ এর বার্ষিক প্রাত:রাশ অনুষ্ঠানে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। সায়মা ওয়াজেদ হোসেন এর পক্ষে অ্যাওয়ার্ডটি গ্রহণ করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত ‘নারী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী’ শীর্ষক গ্রন্থে বিশ্বনেতাদের অন্যতম শেখ হাসিনা

যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত ‘নারী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী’ শীর্ষক গ্রন্থে বিশ্বনেতাদের অন্যতম শেখ হাসিনা

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডি.সি তে মঙ্গলবার ‘নারী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী’ শীর্ষক একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। গ্রন্থটিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। গ্রন্থটির লেখক বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষাবিদ রিচার্ড ও’ব্রাইয়েন। তিনি বর্তমান বিশ্বের ১৮ জন নারী জাতীয় নেতার তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশেষভাবে উপস্থাপন করেছেন। বইয়ের প্রচ্ছদে বিশ্বের আরও ছয়জন শীর্ষ নেতৃবৃন্দর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিও স্থান করে নিয়েছে।

সমৃদ্ধি : সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়নের মডেল

সমৃদ্ধি : সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়নের মডেল

স্বাস্থ্য, শিক্ষার অনন্য এক উদ্যোগে বদলে গেছে গরীব মানুষের জীবনযাপন। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উপজেলা সদরে যেতে হত সামান্য চিকিত্সা কিংবা পরামর্শের জন্য। এখন আর সেটি দরকার হচ্ছে না। নিজ ঘরে বসেই পাচ্ছেন প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিত্সা সেবা। বগুড়ার সারিয়াকান্দির বাগবের গ্রামের গর্ভবতী মা সুক্তি আক্তার জানালেন, নিয়মিত তিনি মনিটরিংয়ে রয়েছেন। সমৃদ্ধি কর্মসূচির স্বাস্থ্যকর্মীরা এসে তার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। প্রাথমিক চেকআপও করছেন। পপি আক্তার, যিনি হেলথ ভিজিটর হিসাবে কাজ করছেন তিনি জানালেন, দরিদ্রদের স্বাস্থ্যসেবা দিতেই আমরা কাজ করছি। আমাদের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রয়েছেন। তিনি পারছেন না এমন কোনো জটিলতা দেখা দিলে স্যাটেলাইট ক্লিনিকের মাধ্যমে আমরা চিকিত্সা দিয়ে থাকি। কেইস আরো জটিল হলে সদরে রেফার করে দিই।

বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞানী আবিষ্কার করলেন মেটাবোলিক উপসর্গজনিত রোগের কারণ

বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞানী আবিষ্কার করলেন মেটাবোলিক উপসর্গজনিত রোগের কারণ

বাংলাদেশের এক তরুণ বিজ্ঞানীর উদ্ভাবন অণুজীববিজ্ঞানীদের গবেষণায় এনে দিয়েছে নতুন মাত্রা। স্থূলতা, হাইপার কোলেস্টারোলেমিয়া ও ডায়াবেটিস- এই জটিল রোগগুলো মেটাবোলিক উপসর্গজনিত। এতদিন ধরে এসব রোগের কারণ জানা ছিল না। দীর্ঘ পাঁচ বছর গবেষণা করে সেই কারণ আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞানী ড. কে.বি.এম. সাইফুল ইসলাম। তিনি জাপানের হোক্কাইডো ইউনিভার্সিটিতে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে এ গবেষণা করেন। ইঁদুরের উপর গবেষণা করে এই বিজ্ঞানী প্রমাণ করেন যে, সামপ্রতিক সময়ের বহুল আলোচিত বিভিন্ন মেটাবোলিক উপসর্গজনিত রোগসমূহ এবং অন্ত্রস্থ ব্যাকটেরিয়ার পারস্পরিক সম্পর্ক মূলত একটি শারীরবৃত্তীয় নিঃসরণ (পিত্তরস, যার নিঃসরণ উচ্চমাত্রার চর্বিযুক্ত খাবারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তার এই মৌলিক আবিষ্কার যুক্তরাষ্ট্রের ‘আমেরিকান গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’ তাদের প্রকাশিত ‘গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি’ (www.gastrojoual.org) জার্নালে প্রকাশ করেছে।

প্রতিবন্ধীরা কর্মের বাইরে থাকায় জিডিপি হারাচ্ছে বাংলাদেশ

প্রতিবন্ধীরা কর্মের বাইরে থাকায় জিডিপি হারাচ্ছে বাংলাদেশ

বিশ্ব ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবন্ধী বিষয়ক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা ও কর্ম সংস্থানে অন্তর্ভুক্ত না করায় বাংলাদেশের ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় ব্যাহত হচ্ছে। যা জিডিপির ১.৭ শতাংশের সমান। তাই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা ও কর্ম সংস্থানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সরকার ও উন্নয়ন সংস্থাকে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের ও তা বাস্তবায়নের সুপারিশ করেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিজ্ঞজনেরা। তারা বলেন,পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য প্রয়োজন প্রকৃত তথ্য উপাত্ত, যার অভাব আছে। তারা সংশ্লিষ্টদের এই তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ দক্ষজনশক্তি হিসেবে প্রতিবন্ধীদের তৈরি করার জন্য প্রশিক্ষণ, তাদের প্রবেশগম্যতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির সুপারিশ করেন। গতকাল শনিবার ডেইলি স্টার ভবনে একসেস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ও একশনএইড বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানে অন্তর্ভুক্তি ও প্রতিবন্ধকতা বিষয়ক জাতীয় সেমিনারে এই সকল কথা বলেন বক্তারা।

দেশে অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমে ১২.৯ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক

দেশে অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমে ১২.৯ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক

২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে অতি দরিদ্র মানুষের সংখ্যা মোট জনগোষ্ঠীর ১২ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। এর আগের ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে অতি দারিদ্র্যের হার ছিল ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ। সোমবার বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে এই হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং মানব উন্নয়ন সূচকের অগ্রগতির কারণে এ হার কমে এসেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন পাশ্ববর্তী ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও ভূটানের চেয়ে ভাল। এ উপলক্ষে বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার আবাসিক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বাংলাদেশের অর্থনীতির হালনাগাদ প্রতিবেদন তুলে ধরেন। এতে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান বক্তব্য দেন।

ইউটিউব যখন আয়ের উৎস

 ইউটিউব যখন আয়ের উৎস

বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি দেখা হয় যে ওয়েবসাইট সেটি হলো ইউটিউব। সার্চ ইঞ্জিন গুগল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককে পেছনে ফেলে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভিডিও স্ট্রিমিং সাইট ইউটিউব! শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিনামূল্যে ভিডিও শেয়ারিং সাইট হিসেবে বিশ্বজুড়ে ইউটিউব দারুণ জনপ্রিয়। এখানে যেমন ইচ্ছে মতো ভিডিও দেখা যায় তেমনি চাইলে নিজেই চ্যানেল তৈরি করে আপলোড করা যায় ভিডিও। বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষামূলক, সচেতনতামূলক অসংখ্য ভিডিও'র সমাহারে সব শ্রেণির মানুষের প্রিয় হয়ে উঠেছে ইউটিউব। তবে শুধু উপভোগের জন্যই নয়, চাইলে ইউটিউব হতে পারে অর্থ আয়ের অন্যতম উৎস। ঘরে বসে নিজের চ্যানেল এবং ভিডিও তৈরি করে কিংবা সংগ্রহকৃত ভিডিও আপ করে আয় করতে পারেন ডলার।

পরিবারেই গড়ে উঠুক সাংস্কৃতিক আবহ

পরিবারেই গড়ে উঠুক সাংস্কৃতিক আবহ

পরিবারের উঠতি বয়েসী সন্তানদের পিতা-মাতার আরও বেশি সঙ্গ দেওয়া, তাদের মনের কথা শোনা ও বুঝাই হলো সন্তানের সুস্থ মানসিকভাবে বিকাশের পূর্বশর্ত। একই সঙ্গে প্রয়োজন পরিবার ও সমাজে সুন্দর সাংস্কৃতিক আবহ গড়ে তোলা; রাজধানী ছাড়িয়ে প্রান্তিক পর্যায়েও বইপড়া কর্মসূচি, গান, নাচ, আবৃত্তিসহ দেশীয় সংস্কৃতির নানা উত্সবগুলো দেশব্যাপী ঘটা করে আয়োজন করা। উদ্যোগগুলো হতে হবে রাষ্ট্রীয় প্রচেষ্টা, প্রণোদনা ও পৃষ্ঠপোষকতায়। শিক্ষাব্যবস্থাও সাজিয়ে তুলতে হবে সাংস্কৃতিক আবহে। মানুষের কর্মে চিন্তায় দেশীয় সংস্কৃতি যেন প্রাধান্য পায় এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে। নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠা একজন মানুষ কখনো ভুলপথে ধাবিত হতে পারে না। কারণ সংস্কৃতিমনস্ক ব্যক্তির মনে লালিত হয় দেশাত্মবোধের চেতনা।

তরুণ প্রাণের সরব পদচারণায় মুখরিত

তরুণ প্রাণের সরব পদচারণায় মুখরিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ সমাবর্তন হয়েছে গত ৩১ জানুয়ারি। এই বিশেষ দিনে অন্যরকম আয়োজন ছিল যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের। অগ্রজ আর অনুজদের পদচারণায় মুখরিত ছিল যোগাযোগ অলিন্দ। সেদিনের কথা জানিয়েছেন ইফফাত জাহান দিঠি স্মৃ তিময় অতীত খুঁজে ফিরছিলেন সমাবর্তনে অংশ নেয়া প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। দিনভর এক সময়ের নিত্যসঙ্গী, বর্তমানে ‘না-দেখা বন্ধু’দের সঙ্গে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে সময় কাটান তারা। দারুণ একটা দিন ছিল। এতটা ভাল যাবে ভাবতেও পারিনি। ভেবেছিলাম, বিভাগে অগ্রজরা আসবেন। অনেকের দেখা পাব। দীর্ঘ বিরতির পর মিলনের প্রকাশ কেমন হয় দেখব। তাদের যতটুকু পারি আপ্যায়ন করব। আর নিশ্চিতভাবেই তাদের দেখে নিজের সমাবর্তনের দৃশ্য কল্পনায় দেখে নিব। কিন্তু সত্যি বলতে দিনটি ছিল তার চেয়েও অনেক বেশি আনন্দের। প্রাপ্তির পাল্লাটা ছিল একটু বেশিই ভারি। নিজেকে সবার আনন্দের অংশীদার বলেই মনে হচ্ছিল। সবার সাথে পরিচয় হল, গল্প হল, ছবি তুললাম। ভাইয়া, আপুরা নিজেদের সময়ের সাথে মিলিয়ে নিচ্ছিলেন আমাদের সময়টাকে। যেন অনুভব করতে পারছিলাম স্মৃতি হাতড়ে পুরনো আমিকে খুঁজতে কেমন লাগে। নিজেরও বের হয়ে যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে। একদিন ওই জায়গায় আমিও থাকব। যাহোক, জানি না কতটুকু ভাল লাগা দিতে পেরেছি তাদের। চেষ্টা করেছি। ভাইয়া, আপুরা অনেক ভাল থাকবেন। সবাইকে একসাথে আবার পাব কিনা জানি না। স্মরণীয় একটা দিন হয়ে থাকবে। খবর ও ছবি সংগৃহিত্

ফেসবুক থেকে কানিজ ফাতেমা ছন্দার স্বপ্ন পূরণ

ফেসবুক থেকে কানিজ ফাতেমা ছন্দার স্বপ্ন পূরণ

ফেসবুক যে এখন আর শুধুই বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম নয়, তা বোঝা যায় কানিজ ফাতেমা ছন্দার কাজ দেখলেই। নিজে শখের বসে টুকটাক যে কাজ করতেন তা-ই এখন হয়ে গিয়েছে তার প্রধান কাজ। ঢাকায় বেড়ে ওঠা ছন্দা পড়াশোনা করেছেন ভিকারুন্নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্র অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজিতে করেছেন স্নাতক। হওয়ার কথা ছিল কেমিস্ট কিন্তু প্যাশনের কাজ করতে করতে তিনি এখন ডিজাইনার। রং নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে পরিচিতি বাড়তে থাকে। অল্প দিনেই তার কাজ ফেসবুকে পেজের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকের আগ্রহ ও পরামর্শে শুরু করেন রং ব্যবহার করে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজ। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের ব্যাক কভারের কাস্টমাইজ ডিজাইনও করতে থাকেন। শখ থেকে স্বপ্নে পরিণত হওয়া তার সেই ক্ষুদ্র প্রয়াস এক সময় রূপ নেয় আর্টিস্টা’য়। এ ইন্টেরিয়র ডিজাইন প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু গত বছরের মে মাসে। যে নেশা থেকে শুরু হয়েছিল আর্টিস্টা, তা-ই এখন ছন্দার পেশা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমেই তার প্রতিষ্ঠানের কাজ চলছে। এফ কমার্সের মাধ্যমেই নিজেদের উদ্যোগকে এগিয়ে নিচ্ছেন তিনি। এখন তার প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন দশজন কর্মী। ফেসবুক পেজটাও চালান সবাই মিলেই।

আপন উদ্যোগে, আপন আলোয় হেলেনা জাহাঙ্গীর

আপন উদ্যোগে, আপন আলোয় হেলেনা জাহাঙ্গীর

মানবতার সেবায় ছুটে যান গ্রাম থেকে গ্রামে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণে গড়ে তুলেছেন জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন, তিনি হেলেনা জাহাঙ্গীর। সমাজসেবায় তার অনন্য কার্যক্রমের জন্য যিনি পরিচিত সিস্টার হেলেন নামে। বাংলাদেশের অদম্য নারীরা যে এগিয়ে যাচ্ছেন দৃঢ় প্রত্যয়ে তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ তিনি। ১৯৯৪ সালে গার্মেন্টস, নিটিংয়ের কাজ দিয়ে ব্যবসায়ী হিসেবে যাত্রা শুরু করে তিনি আজ অন্যতম সফল উদ্যক্তা হয়েছেন শুধু নিজের শ্রম, মেধা আর কাজের প্রতি ভালোবাসার কারণে। কিশোর বয়স থেকেই নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন বলেই হয়তো নিজের অজান্তেই ‘কিছু একটা করার’ তাগিদ অনুভব করতেন সবসময়। কিন্তু অল্প বয়সেই বিয়ে হয়ে যাওয়ায় ভয়ও ছিল, পারবেন তো নিজের দেখা স্বপ্ন বাস্তব করতে! না তিনি পেরেছেন। স্বামী জাহাঙ্গীর আলম শুরু থেকেই ছিলেন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী; তিনিও তাই বুঝতেন স্বপ্ন সত্যি করার মধ্যে লুকিয়ে থাকা ভালোলাগার অনুভূতি। তাই সহধর্মিণীকে প্রেরণাও জুগিয়েছেন তিনি। তাই তো স্বামীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও হেলেনা চাকরি করার সিদ্বান্ত নেন, পরে অবশ্য পরামর্শ করে ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণের পথেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। সেই থেকেই পথচলার শুরু। এরপর আর পিছু ফিরে দেখতে হয়নি তাকে। নিজে কাজ শুরু করার পর ধীরে ধীরে স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলেই শুরু করলেন গার্মেন্টস ব্যবসা। আর এখন তো তাদের পোশাক ব্যবসাসহ অন্যান্য ব্যবসা তারা ছড়িয়ে দিয়েছেন দেশ-বিদেশে। হেলেনা জাহাঙ্গীর বর্তমানে দেশের স্বনামধন্য নিট কনসার্ন গ্রুপের চারটি শিল্প প্রতিষ্ঠান—জয় অটো গার্মেন্টস লিমিটেড, নিট কনসার্ন প্রিন্টিং ইউনিট লিমিটেড, জেসি এমব্রয়ডারি অ্যান্ড প্রিন্টিং ও হুমায়রা স্টিকারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে রয়েছেন। এই সফলতার পেছনে অনুপ্রেরণার গল্প হিসেবে তিনি বলেন, ‘অনেক ছোটবেলা থেকেই দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করব। আর এই স্বপ্নের অনুপ্রেরণা ছিলেন আমার বাবা। পরবর্তীতে আমার স্বপ্নের বাস্তব রূপায়ণে কার্যকর সহায়তা করেছেন আমার স্বামী।’

সময় এখন ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের

সময় এখন ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের

একটি পণ্য বা সেবা তৈরির পর কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেটি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আর এই কাজটি সহজে করার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ভর করে থাকে বিজ্ঞাপনের উপর। বিজ্ঞাপনের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত মাধ্যম হলো টিভি, রেডিও কিংবা বিভিন্ন সংবাদপত্র। তবে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বিজ্ঞাপন মাধ্যমেও এসেছে পরিবর্তন। বর্তমানে মানুষ টিভি কিংবা সংবাদপত্রের তুলনায় বেশি ব্যবহার করছে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, আর এর সাথে ইন্টারনেট তো থাকছেই। মানুষের দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি একটি বড় সময় কাটছে ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ফলে বিজ্ঞাপনদাতাদের চাহিদায়ও এসেছে পরিবর্তন। এখন বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য তাদের পছন্দের শীর্ষে আছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গুগল, ইউটিউব, অ্যাপ প্রভৃতি। এক কথায় যা ‘ডিজিটাল মার্কেটিং’ নামে পরিচিত। স্বল্প বাজেটের বিজ্ঞাপনে অনেক মানুষের কাছে পৌঁছানো যায় এবং নির্দিষ্ট ভোক্তা শ্রেনিকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায় বলে বর্তমান সময়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে আগ্রহী হচ্ছে। দেশে বর্তমানে ছোট বড় মিলিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি আছে প্রায় অর্ধশত। এর পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও অনেকে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজ করে থাকেন। বিভিন্ন ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাজেন্সির সাথে কথা বলে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে মোট বিজ্ঞাপন বাজারের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ দখল করে আছে ডিজিটাল মার্কেটিং।

আবর্জনাকে স্বর্ণ বানালেন মোস্তফা

আবর্জনাকে স্বর্ণ বানালেন মোস্তফা

মোস্তফা হেমদান কিছুদিন আগেই আর্বজনার ব্যবসা করতেন। কিন্তু আজ সেই আবর্জনাই তাকে স্বর্ণের সন্ধান দিয়েছে। কিন্তু তার এই সফলতা মাত্র একদিনে আসেনি। অনেক পরিশ্রম আর ঘাত-প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে মোস্তফাকে, আর সেই প্রতিবন্ধকতার বিনিময়েই আজ বিশ্বের প্রায় সবগুলো বড় গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে নানান প্রতিবেদন। শুধু প্রতিবেদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় আজ মোস্তফার জীবন-জীবিকা। তাকে দেখে অনুপ্রাণিত হচ্ছে আজ বিশ্বের অগুনতি বেকার যুবক যুবতী। কিন্তু কিভাবে আবর্জনাকে স্বর্ণে রূপান্তরিত করলেন উদ্যমী মোস্তফা? ২৫ বছর বয়সী মোস্তফা হলেন মিসরীয় কোম্পানি ‘রিসাইকেলোবেকিয়া’র প্রতিষ্ঠাতা। মধ্যপ্রাচ্যে ইলেকট্রনিক আবর্জনা নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তার প্রতিষ্ঠানই প্রথম এবং অগ্রগণ্য। কায়রোর উত্তরের তানতা নামক এলাকায় নিজ বাড়ির পাশেই তিনি আজ থেকে পাঁচ বছর আগে ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছিলেন তিনি। কপাল ভালো ছিল তার এই কারণে যে, তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে রাজধানী কায়রোর দূরত্ব ছিল মাত্র ৯০ কিলোমিটার। প্রকৌশল বিভাগের ছাত্র মোস্তফা তার ১৯জন সহপাঠীকে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক উদ্যোক্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত একটি প্রতিযোগিতায়। মিসরে এই প্রতিযোগিতাটিকে বলা হয় ইনজাজ। এই ইনজাজে বিজয়ী প্রাথী বা ওই দলকে নগদ দশ হাজার ডলার দেয়া হয়, যাতে উদ্যোক্তারা ওই অর্থ দিয়ে নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে। ওই প্রতিযোগিতা থেকেই মূলত মোস্তফা নিজের একটা আলাদা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবতে শুরু করেন। আর টেলিভিশনের কোনো একটা অনুষ্ঠান দেখে তার মধ্যে অনুপ্রেরণাতো আসেই সঙ্গে সঙ্গে পেয়ে যান পরিকল্পনা।

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ..

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ..

দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পীকার জিয়ন কাব ইয়ন বলেছেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সর্বক্ষেত্রে উন্নতির পথে এগুচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি শক্ত অবস্থানে উন্নীত হবে। সোমবার নগরীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে দক্ষিন কোরিয়ার অনারারি কনসাল ও পিএইচপি ফ্যামিলির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন এর সাথে সস্ত্রীক সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত আন সং ডু, পার্লাামেন্টের সদস্য (এমপি) চোই বং হং ও সন ইন চুনসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জিয়ন কাব ইয়ন বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সর্বক্ষেত্রে উন্নতির পথে এগুচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি শক্ত অবস্থানে উন্নীত হবে। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আগামীতে এই সম্পর্ক যাতে আরও ঘনিষ্ঠ করা যায় এজন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশে আগমনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে মোহাম্মদ মহসিন বলেন, দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও উন্নয়নে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এসময় তিনি প্রতিনিধি দলের সফরের মাধ্যমে বিষয়টি আরও ত্বরান্বিত হবে বলে আশা প্রকাশ করে বলেন, দু’দেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিকভাবে দুদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রতীয়মান। আমরা অদূর ভবিষ্যতে দক্ষিণ কোরিয়ার আরও ভাল বন্ধু হতে পারবো।

দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল মনে করছে জনগণ: মার্কিন জরিপ

দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল মনে করছে জনগণ: মার্কিন জরিপ

অর্থনীতির উন্নয়নের কারণে বাংলাদেশ ঠিক পথেই এগোচ্ছে বলে বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন। এখনো বেশিরভাগ মানুষের বিশ্বাস, উন্নয়নের চেয়ে গণতন্ত্র বেশি জরুরী, তবে এরকম বিশ্বাসীদের সংখ্যা কমছে। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইন্সটিটিউটের (আইআরআই) একটি জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। জরিপ তত্ত্বাবধানে আরো ছিল গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারস। গত ৩০ অক্টোবর থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ২ হাজার ৫৫০ জনের উপর জরিপটি করা হয়। জরিপের ফলাফলে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ মনে করে, উন্নয়নের চেয়ে গণতন্ত্র বেশি জরুরী। যদিও জুন মাসে এই হার ছিল ৬৮ শতাংশ, কিন্তু তা কমে এখন দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫১ শতাংশে। অন্যদিকে গণতন্ত্রের চেয়ে উন্নয়ন বেশি জরুরী বলে যারা মনে করে, তাদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। ২৭ শতাংশ থেকে এই হার বেড়েছে ৪৫ শতাংশ।

চায়ের কাপের ধোয়ায় ওড়ে নোয়াখালীর মাহমুদের

চায়ের কাপের ধোয়ায় ওড়ে নোয়াখালীর মাহমুদের

বসুন্ধরা সিটি শপিংমলের অপর প্রান্তের ফুটপাথ ধরে হাঁটছি। হটাত্ চোখে পড়লো ‘টি টোয়েন্টি স্টল’। দাঁড়িয়ে গেলাম দোকানটির সামনে। যেমন অদ্ভুত দোকানের নাম তেমনই অদ্ভুত তার চা বানানো। চা বানাচ্ছেন, কিন্তু সচরাচর চায়ের দোকানের মতো নয়। চা দোকানের ওই ভদ্রলোক চায়ের কাপে একটা আস্ত ডিম ভেঙে দিলেন। আমারও একটু ভিন্নতা দেখে লোভ হলো চা খাওয়ার। সেই চা বানানো মানুষটির নাম সৈয়দ ছারোয়ার উদ্দিন মাহমুদ। নিজ এলাকা ও গ্রামে তিনি পরিচিত সবুজ নামে। নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ির ওয়াসেকপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া। বেড়ে ওঠা সেনবাগের অর্জুনতলায় নানাবাড়িতে। শৈশব থেকে ক্রিকেটের অন্ধ সমর্থক ছিলেন। সুযোগ পেলেই ছুটে যেতেন নানা জায়গায় ক্রিকেট খেলতে। এজন্য বাড়িতে মায়ের হাতে প্রচণ্ড বকুনি ও পিটুনিও খেয়েছেন। সেই ক্রিকেট উন্মাদনা থেকেই দোকানের নাম দেওয়া টি-টোয়েন্টি স্টল। ‘টি’ শব্দটির সাথেই চায়ের ব্যাপারটা বেশ ভালো করে জড়িয়ে আছে। শুধু তাই নয়, আরও বেশকিছু অবাক করা গল্প আছে। শান্তিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক পাঠ শেষ করে ভর্তি হন সেনবাগ সরকারি পাইলট হাই স্কুলে, সেখান থেকেই পাশ করেন এসএসসি। তারপর এইচএসসি শেষ করেন সেনবাগ সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে। শুধু এসএসসি কিংবা এইচএসসি শেষ করেই থেমে থাকেননি। ঢাকা কলেজ থেকে শেষ করেন স্নাতক। আপনার মনে হয়তো প্রশ্ন জেগেছে স্নাতক শেষ করে তিনি চায়ের দোকানে কেন? সেগুলোরও উত্তর দিচ্ছি একটু পরে। ক্রিকেটকে ভালোবেসে যে দোকান সে দোকানের মূল্য তালিকাতেও রয়েছে ক্রিকেটের ছোঁয়া। ক্রিকেটে ছয় বলে ওভারের মতো এই দোকানে রয়েছে ছয়টি আইটেম। এই নিয়ে কথা বলতে গেলে একগাল হেসে উত্তর দেন ঠিক ও রকম কোনো ব্যাপার নয়। আমি ৭০ প্রকারের ভিন্নধর্মী চা ও ১৫ ধরনের কফি বানাতে পারি। যেগুলো ফুটপাথে দোকান হওয়ার ফলে ইচ্ছে থাকলেও আইটেম বাড়ানো যাচ্ছে না। কথা প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলাম পরিবারের কথা, উঠে এলো আরও বেশকিছু গল্প। গ্রামের বাড়িতে মা-বাবা থাকেন। যেখানে রয়েছে পুকুর ভরা মাছ, গোলা ভরা ধান আর গোয়াল ভরা গরু। এই জন্য হয়তো খুব একটা ঝামেলা হয় না পরিবার চালাতে। একজন স্নাতক পাশ করা ব্যক্তি যে কি-না এখন চায়ের দোকানদার এটা পরিবার ও সমাজ কিভাবে দেখছে? মুখে সদা হাসি লেগে থাকা মানুষটি বললেন, ‘বিদেশে যারা পড়াশোনা করতে যায় তারা বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, ফাস্টফুড শপে, শপিং মলে বা কফি শপে চাকরি করছে। আমারই এক পরিচিত লোক অস্ট্রেলিয়া গেছেন পড়াশোনা করতে। সেখানে গিয়ে সে এখন পিত্জা হাটে চাকরি করছে, অথচ তার বাবার বাংলাদেশে দু-তিনটি বাড়ি-গাড়ি আছে। শুধু তাই নয়, সে ছেলেটি বাংলাদেশে তার নিজের খাবার প্লেটটিও কখনও নিজে পরিষ্কার করেনি। আমরা ওগুলো দেখি না, জানি না। কিন্তু নিজের দেশে সেটা দেখলেই আমরা অবহেলার চোখে দেখি। আপনিই একবার ভাবুন আমার বয়সে যে ছেলেটি স্নাতক পাশ করে ঘরে বসে আছে বেকারত্বের বোঝা মাথায় নিয়ে। আর আমি চায়ের দোকান করে এখন পরিবারের হাল ধরছি। ছোট হোক আর বড় হোক কাজ তো কাজই। আর হালাল কাজে কোনো লজ্জা নেই। ছোটবেলার স্বপ্ন কি ছিল অবাক করে দিয়ে জানালেন, রচনা লেখার জন্য স্বপ্ন ছিল, শিক্ষক হবেন আর মনে মনে চাইতেন তিনি ক্রিকেটার হবেন। লাল সবুজের জার্সি পরে খেলবেন ক্রিকেট। কিন্তু সময়, সুযোগ আর পরিবারের আর্থিক টানাপোড়নে সেই স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল। কথা বলতে বলতে কিন্তু দু’কাপ চা বানিয়ে ফেলেছেন। সেই চায়ের কাপ হাতে নিয়ে আবার শুরু হলো দু’জনের আড্ডা। স্নাতক পাশ করে চাকরি করেছিলেন নর্দান ইউনিভার্সিটিতে। চাকরির বাঁধা ধরা নিয়ম তার পছন্দ নয়। এরপর ভাবলেন ব্যবসা করবেন, কিন্তু হাতে খুব একটা পুঁজিও নেই। ঢাকা কলেজে থাকাকালীন বেশকিছু দিন রিকশা চালিয়েছিলেন। অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার জন্য চায়ের দোকানকেই বেছে নিলেন। কারণ কলেজ মেসে থাকতেই তিনি বানাতে পারতেন সেটা। অবসরের কাজ কর্মগুলোও একটু ভিন্ন। প্রতি মঙ্গলবার দোকান বন্ধ থাকে। সেদিন ছুটে যান ঢাকার নামীদামি বিভিন্ন কফিশপে। কখনও গ্লোরিয়া জিনস, কখনও বারিস্তা লাভাজ্জা, কখনও নর্থ ইন্ড রোস্টারস, আর নয়তো খিলগাঁওয়ের আপন কফি কিংবা পপেয়াসে। লক্ষ্য একটাই বিভিন্ন কফির স্বাদ নেওয়া। কফির নতুন কোনো আইটেম বের হলে সেগুলো সম্পর্কে জানা। বিনোদন নিয়ে জানতে গেলে বলেন, চা-কফি বানাতে বানাতেই তো সারাদিন ব্যস্ত, বিনোদনের সুযোগ কই! তারপর ঠিক সময় মতো নামাজ আদায় করা কিংবা ইউটিউবে বিভিন্ন দেশের চা-কফি বানানোর ভিডিওগুলোই তার বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম। ২০১৩ সালের ১৩ নভেম্বর বসুন্ধরা শপিংমলের অপর প্রান্তের অটবির সামনে থেকে যাত্রা শুরু হয়েছে। মিশন ২০১৭ সালের মধ্যে টি-টোয়েন্টি স্টল নামে আউটলেট খোলার। ঘড়ির কাঁটায় সময় তখন বিকেল চারটা, আস্তে আস্তে দোকানের আশেপাশে ভিড় জমতে শুরু করেছে। ফুটপাথ ধরে বাসায় ফিরছিল নটরডেম কলেজ পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। নটরডেম কলেজের ইউনিফর্ম দেখে ডেকে বিস্কুট, পাউরুটি আর জেলি দিয়ে আপ্যায়ন করলেন। পরে খেয়াল করলাম শুধু ওই ছাত্রটিই নয়, এই দোকানে যত খদ্দের আসেন চা-কফি খেতে পরিচিত মুখ হলে হাতে জুটে যাবে দু’খানা কোকোনাট কুকিজ বিস্কুট। কাপে চায়ের লিকার ঢালছেন চা বানাবেন বলে। যাবতীয় উপাদান দিয়ে বদলে ফেললেন চায়ের স্বাদ, নিয়ে এলেন বৈচিত্র্যতা। ঠিক তেমনি স্নাতক পাশ করা যুবকটাও বেকার না বসে থেকে চায়ের কাপকে সঙ্গী করে বদলে ফেললেন নিজের জীবনকে। আমি দেখছি চায়ের কাপ থেকে গরম ধোয়া বের হচ্ছে, আর উনি দেখছেন চায়ের কাপে চায়ের ধোয়ার সাথে জীবনের স্বপ্ন উড়ছে। ছবি ও খবর সংগৃহিত।

বাংলাদেশের দুই কৃতী সন্তান যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের গবেষক দলে

বাংলাদেশের দুই কৃতী সন্তান যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের গবেষক দলে

আলবার্ট আইনস্টাইন একশ বছরের আগে বলেছিলেন মাধ্যাকর্ষণ তরঙ্গ থাকার সম্ভাবনার কথা। আর একশ বছর পর অবশেষে বিজ্ঞানীরা তথ্য-প্রমাণ হাতে পেলেন, আর আইনস্টাইনের কথা সত্য প্রমাণিত হলো। গত ১১ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা বিশাল সংবাদ সম্মেলন করে ঘোষণা দিলেন, দুটি কৃষ্ণগহ্বরের মিলনের ফলে ১৩০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে যে তরঙ্গ উঠেছিল, সেই তরঙ্গের সংকেত ধরা পড়েছে তাদের যন্ত্রে। ১৩০ কোটি বছর আগে আমাদের সূর্যের চেয়ে ২৯ গুণ বেশি পদার্থধারী একটি ব্ল্যাক হোল, সূর্যের চেয়ে ৩৬ গুণ বেশি পদার্থধারী একটি ব্ল্যাক হোল ঘিরে ঘুরপাক পরস্পরের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল। পৃথিবী থেকে দেখা ব্রহ্মাণ্ডের দক্ষিণাংশের এই মহাজাগতিক ঘটনার শেষ সেকেন্ডের একটি ভগ্নাংশ ধরা পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা ও ওয়াশিংটনে রাখা যন্ত্রে।

নীলফামারীর জলঢাকায় ভিক্ষা না করার অঙ্গীকার সহস্রাধিক ভিক্ষুকের

নীলফামারীর জলঢাকায় ভিক্ষা না করার অঙ্গীকার সহস্রাধিক ভিক্ষুকের

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার সহস্রাধিক ভিক্ষুক ভিক্ষা না করার অঙ্গীকার করেছে। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে চরম দারিদ্র ও ক্ষুধা বিমোচন সমাবেশে ভিক্ষা না করার এ অঙ্গীকার করেন। মমিনুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, কানা জব্বারসহ প্রায় সহস্রাধিক ভিক্ষুক ভিক্ষা না করার প্রতিশ্রুতি দেন। শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত ভিক্ষুক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা এমপি, নীলফামারী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এরশাদ আহসান হাবিব, উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, হাসান হাবিব, নির্বাচন কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী, নীলসাগর গ্রুপের পরিচালক আবু সালেহ সোহেল রানা, চাঁদমনির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাজী পিজিরুল আলম দুলাল, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হামিদুর রহমান, বাবু দীপেন্দ্র নাথ সরকার, ইউপি চেয়ারম্যান পরিষদের সভাপতি কামরুল আলম কবির প্রমুখ। সমাবেশে ভিক্ষা একটি লজ্জা জনক পেশা অবহিত করে সবাইকে ভিক্ষা না করার পরামর্শ দিয়ে তাদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন বক্তারা। পরে ভিক্ষুকদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও কম্বল বিতরণ করা হয়।