বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ব্যাংক-বীমা

সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা

সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা

সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে (সুইস ব্যাংক) বাংলাদেশি নাগরিকদের জমানো টাকার পরিমাণ বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ হিসাবে ৬৬ কোটি ১৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ গচ্ছিত রয়েছে বাংলাদেশি নাগরিকদের যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ হাজার ৫৬৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা (১ সুইস ফ্রাঁ=৮৪ টাকা হিসাবে)। এক বছরের ব্যবধানে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমার পরিমাণ বেড়েছে ১১ কোটি ১১ লাখ ফ্রাঁ বা ৯৩৪ কোটি টাকা। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) ‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ২০১৬’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদন গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে যাতে এই তথ্য পাওয়া গেছে। সুইস ব্যাংকে ২০১৫ সালে বাংলাদেশিদের জমার পরিমাণ ছিল ৫৫ কোটি ৮ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা ৪ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা।

রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকে মূলধন ঘাটতি : ৮ বছরে দেওয়া হয়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা

রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকে মূলধন ঘাটতি : ৮ বছরে দেওয়া হয়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা

রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি পূরণে আসছে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মূলধন ঘাটতি পূরণের জন্য গত আট অর্থবছরে সবমিলিয়ে ১৪ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত চার বছরেই দেওয়া হয়েছে ১১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। রাষ্ট্রায়ত্ব সোনালী ও বেসিক ব্যাংকে দেওয়া হয়েছে বড় অংকের বরাদ্দ। বাজেট ডকুমেন্ট এবং অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানাগেছে, ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোকে পুনঃমূলধন খাতে ১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিলো। ২০১৪-১৫ অর্থবছর দেওয়া হয়েছিলো ২ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছর ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা, ২০১৬-১৭ অর্থবছর ২ হাজার কোটি টাকা, এবং আগামী ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকা।

দেড় কোটি ডলার ফেরত দিয়েছে ফিলিপাইন

দেড় কোটি ডলার ফেরত দিয়েছে ফিলিপাইন

চুরি যাওয়া রিজার্ভের প্রায় দেড় কোটি ডলার ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ গোয়েন্দা বিভাগের দুই কর্মকর্তা বর্তমানে ফিলিপাইনে অবস্থান করছেন। তাদের উপস্থিতিতে ফিলিপাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ এই অর্থ গ্রহণ করেন। বাংলাদেশি টাকায় এই অংক প্রায় ১২১ কোটি টাকার মতো। ফিলিপিন্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ ইতোপূর্বে জানিয়েছিলেন, ফিলিপাইনের ক্যাসিনো মালিক কিম অং এবং তার ইস্টার্ন হাওয়াই লেজার কোম্পানির ফেরত দেয়া দেড় কোটি ডলার ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গচ্ছিত ছিল। এই অর্থ এখন বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হলো। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শেষ হলে সোম-মঙ্গলবারের মধ্যে এই অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের সাথে যুক্ত হবে।

ওয়ান ব্যাংকের সঙ্গে ৩টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ৪৪ মিলিয়ন ডলার ঋণ চুক্তি

ওয়ান ব্যাংকের সঙ্গে ৩টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ৪৪ মিলিয়ন ডলার ঋণ চুক্তি

ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড (ওবিএল) এবং তিনটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থিক প্রতিষ্ঠান- এফএমও, ওএফআইডি এবং ওইইবির মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি ৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই ঋণ সুবিধার ফলে ব্যাংকটি বৈদেশিক মুদ্রা ঋণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) ঋণ এবং গ্রীন ব্যাংকিং ব্যবসায় সম্প্রসারণে সহায়তা পাবে। ঋণ সুবিধা ছাড়াও এই তিনটি প্রসিদ্ধ উন্নয়ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যাংকটির পরিবেশগত, সামাজিক এবং নিরাপত্তাজনিত মান উনয়নে সহায়তা করবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফখরুল আলম, এফএমও- এর সিনিয়র ইনভেস্টমেন্ট অফিসার ডেইভ স্মিথ, আরএসএ ক্যাপিটালের প্রতিষ্ঠাতা সামির আহমেদ প্রমুখ।

অর্থ চুরির ক্লু খুঁজতে কাজ করছে ১২টি তদন্ত সংস্থা

অর্থ চুরির ক্লু খুঁজতে কাজ করছে ১২টি তদন্ত সংস্থা

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ পাচারকে ধরা হচ্ছে বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চুরির ঘটনা। তাই বিষয়টির কিনারা খুঁজে পেতে কাজ করছে দেশি-বিদেশি মোট ১২টি তদন্ত সংস্থা বা টিম। বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত সংস্থা, ফিলিপাইনের সরকার, ফিলিপাইনের জড়িত ব্যাংক আরসিবিসি ও আন্তর্জাতিক তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে এসব টিম নিয়োগ করা হয়েছে। অর্থ পাচারের বিষয়ে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে ও টাকা ফেরতের দায় নির্ণয় করতে গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে চলতি মাসের মাঝামঝি পর্যন্ত সময়ে এসব কমিটি গঠন ও কাজ শুরু করে।

ঋণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রশিক্ষণ

ঋণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রশিক্ষণ

ঋণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড। সম্প্রতি ঋণ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ওই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে ব্যাংকটি। ব্যাংকের মতিঝিলস্থ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-এ তিন দিনব্যাপী এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। আইএফআইসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ রিস্ক অফিসার (সিআরও) এমএম হাইকেল হাসমী উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এইচআর ডেভেলপমেন্ট ও টেনিং ইনস্টিটিউট প্রধান একে মজিবুর রহমান। প্রধান কার্যালয় ও বিভিন্ন শাখার ২৮ জন ব্যাংক কর্মকর্তা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এক্সিম ব্যাংকের মেজবান

এক্সিম ব্যাংকের মেজবান

শনিবার দি কিং অব চিটাগাং-এ মেজবানের আয়োজন করা হয়। এসময় আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে অভ্যর্থনা জানান এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার। মেজবানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, এক্সিম ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নাসরিন ইসলাম, মো, নুরুল আমিন ফারুক, মো. হাবিব উল্লাহ ডন, লে. কর্নেল অব. সিরাজুল ইসলাম বীর প্রতিক (বার), খন্দকার মো. সাইফুল আলম, আব্দুল্লাহ আল জহীর স্বপন, মিসেস নাসিমা আক্তার, স্বতন্ত্র পরিচালক মুহাম্মদ সিকান্দার খান ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালক, এক্সিম ব্যাংকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন শাখার সম্মানিত গ্রাহকগণ, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ও পরিচালকবৃন্দ, শিক্ষাবিদ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আমন্ত্রিত অতিথিরা এক্সিম ব্যাংকের বিভিন্ন কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এক্সিম ব্যাংকের যে কোন কর্মকাণ্ডে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জরিমানার বিরুদ্ধে রিভিউ করতে পারবে ফারমার্স ব্যাংক

জরিমানার বিরুদ্ধে রিভিউ করতে পারবে ফারমার্স ব্যাংক

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মালিকাধীন ফারমার্স ব্যাংকের অনিয়ম ও তথ্য গোপনের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংক যে জরিমানা করেছিল তার বিরুদ্ধে রিভিউ করার সুযোগ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার সকালে ব্যাংক কোম্পানি ১০৯ (১২) ধারা অনুযায়ী তাদের এ সুযোগ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ। গত ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক ফারমার্স ব্যাংককে ১০ লাখ টাকার জরিমানা করে। ফারমার্স ব্যংকের হেড অব ব্যাংককিং অপারেশন প্রকাশ চন্দ্র মদক হাইকোর্টে জরিমানা আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ওই জরিমানার আদেশ চার মাসের জন্য স্থগিত করেন। হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আবেদনের পক্ষে ব্যরিস্টার আজমল হোসাইন চৌধুরী এবং ফারমার্স ব্যাংকের পক্ষে ব্যরিস্টার মওদুদ আহমেদ, অ্যাডভোকেট বাছেদ মজুমদার, অ্যাডভোকেট কামালুল আলম শুনানি করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্টের আদেশ বাতিল করে ওই জরিমানার আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ করার সুযোগ দেয়।

মিডল্যান্ড ব্যাংক এমডির ৭১ অ্যাকাউন্টে নয়ছয়, কোথা থেকে এলো এতো টাকা?

মিডল্যান্ড ব্যাংক এমডির ৭১ অ্যাকাউন্টে নয়ছয়, কোথা থেকে এলো এতো টাকা?

মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আহসান-উজ-জামানের মিউচুয়্যাল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) ৭১টি অ্যাকাউন্ট নম্বরে সাড়ে ১৫ কোটি টাকার লেনদেনে অসঙ্গতি পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার ও তার স্ত্রী মিসেস আনিসা জামানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থপাচার সংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধানে নেমে এই অসঙ্গতি পাওয়া যায়। আর সে কারণেই এসব অ্যাকাউন্ট নম্বরে থাকা টাকার প্রকৃত উৎস ও তা কোথায় কোথায় স্থানান্তর করা হয়েছে তার যাবতীয় তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে চিঠিতে ২০০৯ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত আহসান-উজ-জামানের বেতন বিবরণী এবং এমটিবি ব্যাংক ও মিডল্যান্ড ব্যাংকে নিয়োগপত্রের ফটোকপি পাঠাতেও বলা হয়েছে। সম্প্রতি দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এসএম রফিকুল ইসলাম এ চিঠিটি পাঠান। চিঠিতে চাহিদা অনুযায়ী এসব রেকর্ডপত্র আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। দুদক সূত্র বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সূত্রটি জানায়, মো. আহসান-উজ-জামান ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ এলে তা আমলে নিয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক। এ অভিযোগের ব্যাপারে জানতে তাকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অনুসন্ধানে দেখা যায়, এমটিবি ব্যাংকে খোলা তার ৭১টি অ্যাকাউন্ট নম্বরে মোট ১৫ কোটি ৫৮ লাখ ৫৯ হাজার ৩১ টাকার অসঙ্গতিপূর্ণ লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি অ্যাকাউন্ট নম্বরে ২০১০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মোট ৭ কোটি ২৯ লাখ ২৫ হাজার ২২৯ টাকা জমা ছিল। যেখানে আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের এক হিসাব নম্বরেই (পলিসি নং বিডি-২৩৬৫২) আছে ১ কোটি ৪২ লাখ ৪০০ টাকা। উল্লেখিত এ টাকার উৎস ও বর্তমানে সেগুলো কোথায় জমা আছে সে ব্যাপারে তথ্য চাওয়া হয়েছে দুদকের পাঠানো চিঠিতে। বাকি ৪৫টি অ্যাকাউন্ট নম্বরে ২০০৯ সালের ৩১ আগস্ট থেকে ২০১২ সালের ৭ জুন পর্যন্ত জমা করা হয়েছে মোট ৮ কোটি ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮০২ টাকা। এমটিবি ব্যাংকের দিলকুশা শাখায় পরিচালিত এই ৪৫টি অ্যাকাউন্ট নম্বরে বিপুল পরিমাণ এ টাকার ট্রানজেকশনগুলোর (জমা ও খরচ) বিস্তারিত বিবরণ, টাকার উৎস, এসব অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট নম্বরের হিসাব বিবরণী এবং টাকা উত্তলন বা অনলাইন ট্রন্সফার হলে তা কোথায় গেছে সেসব গন্তব্যস্থলের বিবরণ পাঠাতেও বলা হয়েছে। দুদকে আসা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে (এমটিবি) ডিএমডি পদে যোগদান করেন মো. আহসান-উজ-জামান। ২০১১ সালে এসে এমটিবি ব্যাংকে তার অ্যাডিশনাল এমডি হিসেবে পদন্নতি হয়। সেখান থেকে চাকরিচ্যুত হওয়ার পর মিডল্যান্ড ব্যাংকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে ২০১৪ সালে যোগদান করেন তিনি। এমটিবি ব্যাংকে থাকাকালীন তার একক আধিপত্য বিস্তারের অসাধু চেষ্টা বোর্ড অফ ডিরেক্টর বুঝতে পারলে, সেখান থেকে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এরপর মিডল্যান্ড ব্যাংকে এসেও সেই অবৈধ একক কতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় লেগে আছেন। এভাবে তিনি গড়ে তুলেছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদ। দুদক সূত্র আরো জানায়, এনআরবি গ্লোবার ইন্স্যুরেন্সে তার শেয়ার ও মালিকানা রয়েছে। অথচ ব্যাংকের নিয়োগবিধি অনুযায়ী কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা অন্যকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে পারবেন না। উপরে উল্লেখিত এসব টাকা ছাড়াও আহসান-উজ-জামান এবং তার স্ত্রীর নামে ঢাকায় তিনটি বাড়ি ও তিনটি গাড়ি রয়েছে। এগুলোর মধ্যে গুলশানের ৩৫ নম্বর রোডে (হাউস নং-৩/এ) ১০ কাঠার প্লট, একই এলাকায় এক বিঘা জমি। ধানমণ্ডির ৬ নম্বর রোডে ১ বিঘা জমি এবং তার ওপর বাড়ি আছে বলেও দুদকের অনুসন্ধানে তথ্য পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দুদক কর্মকর্তা বাংলামেইলকে বলেন, ‘দুদকের অনুসন্ধানে তার বৈধ আয়ের সাথে অসমাঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদের তথ্য পেয়েছেন দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা। এর মধ্যে একজন ব্যক্তির এতোগুলো অ্যাকাউন্ট নম্বরে যেসব লেনদেন হয়েছে তা অনেকটাই অস্বাভাবিক। সে কারণেই এসব অ্যাকাউন্ট নম্বরের ব্যাপারে আরো অধিকতর জানতে অনুসন্ধানের স্বার্থেই অনুসন্ধানী কর্মকর্তা তাকে চিঠি দিয়েছেন।’ তবে এসব বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা এসএম রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি এখনো কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তদন্ত শেষেই বিস্তারিত জানানো হবে বলে তিনি বলেন। এ বিষয়ে জানতে মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আহসান-উজ-জামানের ব্যক্তিগত নম্বরে অনেকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

বিনিয়োগে গতি আনতে কমছে 'নীতি সুদ হার'

বিনিয়োগে গতি আনতে কমছে 'নীতি সুদ হার'

নতুন মুদ্রানীতিতে বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে গতি আনতে 'নীতি সুদ হার' কমানো হচ্ছে বলে জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান। মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, 'উৎপাদন ও মূল্য পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আমরা সংযত কিন্তু সমর্থনমূলক মুদ্রানীতির ভঙ্গি দিয়ে যাচ্ছি। এবারে আমরা নীতি সুদ হারগুলো কমিয়েছি।' তিনি জানান, ব্যাংক খাতের তহবিল ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর অংশ হিসেবে রেপো ও রিভার্স রেপোর সুদ হার কমিয়ে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আগামী ছয় মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশাও আগের তুলনায় কমিয়ে এনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলো যখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার করে, তখন তার সুদহার ঠিক হয় রেপোর মাধ্যমে। মুদ্রানীতিতে রেপোর হার ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ করা হয়েছে। রিভার্স রেপোর মাধ্যমে বাংকগুলো তাদের উদ্বৃত্ত অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এক্ষেত্রেও সুদহার ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ করা হয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে রেপোর সুদ হার ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং রিভার্স রেপোর সুদ হার ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ ছিল। রেপো বা রিভার্স রেপোর মাধ্যমে সাধারণত এক দিনের জন্য ধার করা বা জমা রাখা হয়। একে বলা হয় ব্যাংকিং খাতের নীতি উপাদান (পলিসি টুলস)। এর সুদ হারকে বলা হয় নীতি সুদ হার (পলিসি রেট)। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে তারল্য ও বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করে। রেপোর সুদ কমলে ব্যাংকগুলো কম খরচে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তহবিল পাবে। তাতে তারা কম সুদে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ দিতে পারবে। অন্যদিকে রিভার্স রেপোর সুদ হার কমানোর অর্থ হলো, ব্যাংকগুলোকে চাপ দেওয়া, যাতে তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে টাকা ফেলে রেখে মুনাফা না তুলে ব্যবসা ও উদ্যোগে বিনিয়োগ বাড়ায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে গভর্নর বলেন, বর্তমানে আন্তঃব্যাংক লেনদেনে কলমানি সুদ হার ৩-৪ শতাংশ, মূল্যস্ফীতি এবং অন্যান্য সুদ হারও কম। এ পরিস্থিতিতে রেপো বেশি থাকলে ‘বৈপরিত্য’ দেখা দিতে পারে বলেই নীতি সুদ হার কমানো হয়েছে। আমরা মার্কেট রেট এর সাথে রি-অ্যালায়েন্স করছি।

জনতা ব্যাংকের জিএমসহ ৯ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

জনতা ব্যাংকের জিএমসহ ৯ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

জনতা ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজারসহ (জিএম) ৯ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। হলমার্ক কেলেঙ্কারির নন-ফান্ডেড অংশের (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এ জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। রোববার সকাল থেকে দুদক কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বাধীন একটি টিম ওই ব্যাংক কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। জিজ্ঞাসাবাদ চলবে বিকাল পর্যন্ত। যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তারা হলেন— জনতা ব্যাংক ভবন করপোরেট শাখার জিএম আব্দুছ ছালাম আজাদ, এস এম আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মো. আজমুল হক, এজিএম মো. ফায়েজুর রহমান ভূঁইয়া, আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, এসইও মো. সাখাওয়াত হোসেন, এসপিও জেসমিন আখতার, ইও জিনিয়া জেসমিন ও জেসমিন খাতুন।

মহাদুর্নীতিতে মেতেছেন মিডল্যান্ড ব্যাংকের এমডি

মহাদুর্নীতিতে মেতেছেন মিডল্যান্ড ব্যাংকের এমডি

মহাদুর্নীতিতে মেতেছেন মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আহসান-উজ-জামান। গোটা ব্যাংকজুরে গড়ে তুলেছেন তার একক কর্তৃত্ব। বানিয়েছেন তার অধিনস্থ পাঁচ খলিফা। আর এসব দিয়ে গড়ে তুলেছেন বিপুল পরিমান অর্থ-সম্পদ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা প্রাথমিক অনুসন্ধানে এসব দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাই তার বিরুদ্ধে সম্পদ দাখিলের নোটিশের সুপারিশ করে প্রাথমিক অনুসন্ধানের এই অগ্রগতি প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিতে যাচ্ছেন দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা এসএম রফিকুল ইসলাম। দুদক সূত্র জানায়, মিডল্যান্ড ব্যাংকের এমডি মো. আহসান-উজ-জামানের বিরুদ্ধে প্রথমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ এলে তা আমলে নিয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক। অনুসন্ধান পর্যায়ে তাকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০০৯ সালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে (এমটিবি) ডিএমডি পদে যোগদান করেন মো. আহসান-উজ-জামান। এর আগে তিনি নিউইয়র্কের ব্যাংক অব আমেরিকাতে কাজ করেছেন। ২০১১ সালে এসে এমটিবি ব্যাংকে তার অ্যাডিশনাল এমডি হিসেবে পদন্নতি হয়। সেখান থেকে চাকরিচ্যুত হওয়ার পর মিডল্যান্ড ব্যাংকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে ২০১৪ সালে যোগদান করেন তিনি। এমটিবি ব্যাংকে থাকাকালীন তার একক আধিপত্য বিস্তারের অসাধু চেষ্টা বোর্ড অফ ডিরেক্টর বুঝতে পারলে, সেখান থেকে চাকরিচ্যুত করা হয় বলে জানা যায়। এরপর মিডল্যান্ড ব্যাংকে এসেও সেই অবৈধ একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় লেগে আছেন। ব্যাংকের চারটি মূল বিভাগ যেমন অপারেশন, আইটি, এডিসি কার্ডস এবং পিআরও (জনসংযোগ) নিজের নিয়ন্ত্রণে আনেন তিনি। তার পছন্দের ব্যক্তিকে এসব জায়গায় বসিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন একক কর্তৃত্ব। এর মধ্যে ক্বাফী নামে তার এক পিএসকে এই চারটি বিভাগের দায়িত্ব দিয়েছেন। একইভাবে মনিরুল ইসলাম নামের এক কর্মকর্তাকে ক্রেডিট ও এইচআর (হিউম্যান রিসোর্চ) এ প্রধান করে রেখেছেন। অথচ ব্যাংকের নিয়মানুযায়ী কোনো কর্মকর্তাকে ইন্টারনাল বিভাগের দায়িত্ব দিলে তাকে আর এক্সটার্নাল বিভাগে দায়িত্ব দেয়া হয় না। কিন্তু তিনি পছন্দের একই ব্যক্তিকে অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত বিভাগের দায়িত্ব দিয়ে রাখছেন। এ দু’জন ছাড়াও তার পছন্দের মধ্যে ব্যাংক কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহম্মেদ, হাসানুল হক ও দিদারুল ইসলামের নাম আসে। তারা এমডির ছত্রছায়ায় বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেন। এছাড়া ব্যাংকের মধ্যে এই পাঁচজন ব্যক্তি ওই এমডির পাঁচ খলিফা বলে পরিচিত। তাদের দিয়েই পুরো ব্যাংক তার নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়া তার একক সিদ্ধান্তে মিডল্যান্ড ব্যাংকের উত্তরা শাখা বেশি টাকা দিয়ে তার বন্ধুর বাড়িতে স্থানান্তর করেছেন। যার ফলে অতিরিক্ত ব্যায় গুণতে হয় ব্যাংকে। দুদকের অনুসন্ধানে আরো দেখা যায়, আহসান-উজ-জামানের মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে ৮৭টি ফিক্সড ডিপোজিট রিসিড (এফডিআর) আছে ও ১২টি সাধারণ হিসাব নম্বর আছে। এসব হিসাব নম্বর দিয়ে লেনদেন হয়েছে প্রায় ৯৬ কোটি টাকা, যা অস্বাভাবিক বলে দুদকের কাছে মনে হয়। এছাড়া এনআরবি গ্লোবার ইন্স্যুরেন্সে তার শেয়ার ও মালিকানা আছে। অথচ ব্যাংকের নিয়োগবিধি অনুযায়ী কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা অন্যকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে পারবেন না। শুধু তাই নয় ঢাকায় তিনটি বাড়ি ও তিনটা গাড়ি আছে মো. আহসান-উজ-জামানের। এগুলোর মধ্যে গুলশানের ৩৫ নম্বর রোডে (হাউস নং-৩/এ) ১০ কাঠার প্লট, একই এলাকায় এক বিঘা জমি। ধানমণ্ডির ৬ নম্বর রোডে ১ বিঘা জমি এবং তার ওপর বাড়ি রয়েছে এই কর্মকর্তার। একই সঙ্গে ব্যাংক পরিচালনার মধ্যেও তার উদাসিনতা দেখা গেছে দুদকের অনুসন্ধানে। ২০১৪ সালের তার ওই ব্যাংকের ইন্টারনাল অডিট রিপোর্টে এইচআর বিভাগের কিছু সত্য গোপন করেছেন বলে দেখা যায়। সেই প্রতিবেদনে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর তথ্য আপডেট নেই। সেখানে দেখা যায়, ইমপ্লয়ি নম্বর ১৭১, ১৭৩, ১৭৫, ১৭৯. ১৮০, ১৮১. ১৮২ এবং ১৮৩ কোনো সাপ্তাহিক স্বাক্ষর নেই। এসব অভিযোগের বিষয়ে মিডল্যান্ড ব্যাংকের এমডি আহসান-উজ-জামানের বক্তব্য নিতে তার মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দুদক কর্মকর্তা বাংলামেইলকে বলেন, ‘দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে এসব দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া তার নামে যেসব পরিমান সম্পদের তথ্য পেয়েছি, তা দুদকের কাছে অস্বাভাবিক বলে মনে হয়েছে। তাই আরো অধিকতর অনুসন্ধানের জন্য শিগগিরই তার সম্পদ বিবরণী দাখিলের সুপারিশ করে এসব অনুসন্ধানের অগ্রগতি প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিবেন অনুসন্ধানী কর্মকর্তা। আর কমিশন অনুমোদন দিলেই তার সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেবেন তিনি।’ তবে এসব বিষয়ে দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা এসএম রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

আগামী সপ্তাহে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

আগামী সপ্তাহে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) জন্য আগামী সপ্তাহে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পাল। তিনি বলেন, 'জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে আমরা নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছি।' বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়িয়ে প্রবৃদ্ধি জোরালো করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এবারের মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানান ড. বিরূপাক্ষ পাল। তিনি বলেন, 'মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে কিভাবে লক্ষ্য অর্জন করা যায় এ নিয়ে পর্যালোচনা করছি।' গভর্নর ড. আতিউর রহমান গত ৩০ জুলাই বছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এতে বেসরকারি খাতে যোগান বাড়িয়ে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার সতর্ক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।