বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

আবাসন

ফ্ল্যাট কেনাবেচায় ১৫ শতাংশ ভ্যাটে ধ্বংস হবে আবাসন খাত :রিহ্যাব

ফ্ল্যাট কেনাবেচায় ১৫ শতাংশ ভ্যাটে ধ্বংস হবে আবাসন খাত :রিহ্যাব

ফ্ল্যাট কেনাবেচায় ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হলে আবাসন খাত ধ্বংস হয়ে যাবে। আর নির্মাণ খাতের কাঁচামালের উপর ভ্যাট আরোপ করায় কোন প্রকল্প নিতে ৩০ শতাংশ বেশি খরচ হবে। তাতে ফ্ল্যাটের দামও ৩০ শতাংশ বেড়ে যাবে। তখন মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত প্রস্তাবিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এ শঙ্কার কথা জানিয়েছে আবাসন খাতের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। এসব কারণে সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। প্রস্তাবিত বাজেট আবাসন খাত বান্ধব হয়নি বলে জানিয়েছে রিহ্যাব। সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট আলমগীর শামসুল আলামিন ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন তারা। এছাড়া রিহ্যাব সহ-সভাপতি (প্রথম) লিয়াকত আলী ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

মন্দা থেকে বের হতে পারছে না আবাসন খাত

মন্দা থেকে বের হতে পারছে না আবাসন খাত

বিশাল বিনিয়োগের আবাসন খাতে মন্দা অবস্থা কার্যত কাটানো যাচ্ছে না। বছরের পর বছর অপেক্ষা করে অনেক ছোট উদ্যোক্তা বড় অঙ্কের লোকসান মেনে ধীরে ধীরে এ খাত থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার কেউ ব্যবসায় টিকে থাকার জন্য খরচ কমিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। অনেক প্রতিষ্ঠানেই ইতোমধ্যে লোকবল ছাঁটাই করা হয়েছে। কিন্তু এ খাতটি কবে নাগাদ উঠে দাঁড়াতে পারে- এমন কোনো আভাসও মিলছে না। ফলে এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাত-উপখাতের উদ্যোক্তাদের মধ্যেও হতাশা নেমে এসেছে। উদ্যোক্তাদের আশা ছিল, গত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আবাসন খাতের জন্য কিছু প্রণোদনা ঘোষণা দেবেন। তারা তাকিয়ে ছিলেন অর্থমন্ত্রীর বাজেটের দিকে। কিন্তু অর্থমন্ত্রী হতাশ করলেন এ খাতের উদ্যোক্তা ও অর্থ লগ্নিকারীদের। বাজেট ঘোষণার পর আবাসন খাতের মালিকদের সংগঠন রিহ্যাব এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিল, বাজেটে আবাসন খাতের জন্য কিছুই রাখা হয়নি।

বিনা শর্তে আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দাবি

বিনা শর্তে আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দাবি

আসছে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে বিনা শর্তে আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। গতকাল রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে এ দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো তুলে ধরে বক্তব্য দেন রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন। তিনি জিএফআই এর প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ থেকে ২০১৩ সালে ৯৬৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার পাচার হয়েছে। এই অর্থ পাচার রোধে কোনো শর্ত ছাড়াই আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া প্রয়োজন। এ সুযোগ আগামী ১০ বছরের জন্য দিতে হবে।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে রাজউক কর্তৃক জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদে সমাবেশ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে রাজউক কর্তৃক জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদে সমাবেশ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে রাজউক কর্তৃক ৫শ বিঘা জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদে সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় জালকুড়ি মধুঘর এলাকায় জালকুড়ি ভূমি রক্ষা কমিটি এ প্রতিবাদ সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা করেন। জালকুড়ি ভূমি রক্ষা কমিটির আহবায়ক বদিউজ্জামান বদুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক সামছুল আলম বাচ্চু, অ্যাডভোকেট শাহজাদা দেওয়ান, আলাউদ্দিন প্রধান, সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন, কাইয়ুম, শহীদ মামুন, হাসান, হাশেম, হাজী মনছুর আহাম্মেদ, হাজী জসিমউদ্দিন, মোকলেছুর রহমান, মধুঘর উন্নয়ন কমিটি সভাপতি শাহ আলম ও সাধারন সম্পাদক খলিল প্রমুখসহ শত শথ এলাকাবাসী।

সর্বাধুনিক স্যাটেলাইট সিটি হবে পূর্বাচল

সর্বাধুনিক স্যাটেলাইট সিটি হবে পূর্বাচল

রাজধানীর সন্নিকটে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পকে এশিয়ার সর্বাধুনিক উপশহর (স্যাটেলাইট সিটি) হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এটিকে গড়ে তোলা হবে মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ার আদলে। পূর্বাচল হবে দেশের উপ-প্রশাসনিক রাজধানী। নগরের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ভিত্তি এ স্যাটেলাইট সিটির অভ্যন্তরেই গড়ে উঠবে। এতে নিকটবর্তী শহর রাজধানী ঢাকার ওপর নির্ভরশীলতা হবে সামান্য। এদিকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) তত্ত্বাবধানে পূর্বাচলে নির্মাণ হচ্ছে ১৩০ তলা সুউচ্চ ভবন। দুই হজার ১৪৫ ফুট সম্ভাব্য উচ্চতার সুউচ্চ এ ভবনটি নির্মাণ হলে এটি হবে এশিয়ার সর্বোচ্চ এবং বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ বহুমাত্রিক ভবন। আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মনোরম দৃশ্য সংযোজিত এই উপশহর হবে সর্বাধুনিক সমারোহ। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন জানান, স্যাটেলাইট সিটি মূলত বড় শহরের অদূরে গড়ে ওঠা পরিকল্পিত উপশহর যেখানে নগরজীবনের সব সুযোগ সুবিধা থাকবে। সেখানে শহরতলি, বাণিজ্যিক এলাকা, হাসপাতাল, শপিং মল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়, কমিউনিটি সেন্টার খেলার মাঠ, পার্কসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকবে। স্যাটেলাইট সিটি এর নাগরিকদের আবাসন এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, ঢাকা শহরের ওপর আবাসন এবং কর্মসংস্থানগত চাপ কমানোই পূর্বাচল স্যাটেলাইট সিটির মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি এর মাধ্যমে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল রোধ করা সম্ভব হবে। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পটি নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানা এবং গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার মধ্যবর্তী ঢাকার শূন্য পয়েন্ট থেকে মাত্র ১৬ কিমি দূরে বালু ও শীতালক্ষ্যা নদীর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। ২০ লাখ মানুষের আবাসস্থল হবে এটি। ছয় হাজার ২২৭ দশমিক ৩৬ একর জমির ওপর গড়ে তোলা প্রকল্পটি ৩০টি সেক্টরে বিভক্ত। প্রকল্পটি ১৯৯৬ সালে গ্রহণ করা হলেও ভূমি উন্নয়নের কাজ শুরু করা হয় ২০০৪ সালে। ভূমি অধিগ্রহণ ও নানা জাটিলতায় প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ সময়সীমা ধরা হয়েছে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে সাত হাজার ৭৮২ দশমিক ১৪ কোটি টাকা। এদিকে পূর্বাচলে ২০১৮ সালের পরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে প্রায় আটশ’ কোটি টাকা ব্যয়ে এখানে তৈরি করা হবে আন্তর্জাতিক মানের প্রদর্শনী কেন্দ্র। পূর্বাচল শহরের ৪ নম্বর সেক্টরে ২০ একর জমির ওপর প্রদর্শনী কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হবে। এ প্রদর্শনী কেন্দ্রে দুটি বড় হলরুমে মোট ৮০৬টি বুথ বা স্টল নির্মাণ করা হবে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে দেড় হাজার গাড়ি পার্কিং করার ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া সম্মেলন কক্ষ, প্রেস সেন্টার, সভাকক্ষ, বাণিজ্য তথ্যকেন্দ্র, সেবা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক অবকাঠামো তৈরি করা হবে। চীনের বেইজিং ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেকচারাল ডিজাইন নামের একটি প্রতিষ্ঠান এ প্রকল্পের নকশা তৈরি করেছে। এটি তৈরি হয়ে গেলে বাণিজ্যমেলার পাশাপাশি এখানে বড় পরিসরে অন্য যে কোনো ধরনের মেলাও আয়োজন করা যাবে। অন্যদিকে পূর্বাচলের ১৯নং সেক্টরের সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট (সিবিডি) এলাকায় নির্মাণ হবে ১৩০ তলা উচ্চতার ‘কেপিসি বেঙ্গল টাওয়ার’। ভবনটির কাজ দ্রুত করতে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে একটি উচ্চ পর্যায়ের টিম গঠন করে রাজউক। টাওয়ারটি নির্মিত হলে এটি শুধু বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ভবনই হচ্ছে না, এটি এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ও বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ ভবন হবে। ভবনটি নির্মাণের প্রাক্কলন ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। সুউচ্চ এ ভবনটিতে থাকবে আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও এক্সিবিশন সেন্টার। রাজউক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন নির্মিত হচ্ছে সৌদি আরবের জেদ্দায়। দুইশ’ তলা এই ভবনের উচ্চতা হবে তিন হাজার ২৮০ ফুট। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভবন ২০১০ সালে নির্মিত হয়েছে দুবাইয়ে। ১৬৩ তলা এই ভবনের উচ্চতা দুই হাজার ৭১৭ ফুট। এছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য সুউচ্চ ভবনের মধ্যে রয়েছে সাংহাইয়ের ১২৩ তলা সাংহাই টাওয়ার এবং সৌদি আরবের মক্কায় ১২০ তলা মক্কা রয়াল ব্যাংক টাওয়ার। প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুম্বাইতে ১১০ তলা একটি ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া চলমান। বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স হিসেবে ঢাকার ভবনই হবে বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোচ্চ ভবন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। এছাড়া, উচ্চতা ও আয়তনের দিক দিয়ে এটি হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ তৃতীয় বৃহত্তম ভবন। এদিকে সুউচ্চ ভবন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য এরই মধ্যে রাজউকের পক্ষ থেকে ‘ফোকাল পয়েন্ট’ হিসেবে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক উজ্জ্বল মল্লিককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তার মাধ্যমে ভবনটি নির্মাণে সার্বক্ষণিক তথ্য সরবরাহ, যোগাযোগ ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এজন্য আগামী তিন মাসের মধ্যে ভবনের প্রযুক্তিগত সব দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা যাবে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় রাজউক এ ভবন নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ তদারকি করবে। সরকার ও নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে ভবনটি নির্মাণের চিন্তা করা হচ্ছে। ভবনটি নির্মাণে অর্থ বিনিয়োগের জন্য এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান কেপিসি গ্রুপ আগ্রহ দেখিয়েছে। এ কারণে রাজউক ফোকাল পয়েন্টকে সহযোগিতার জন্য চার সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে। ওই টিমে সদস্য হিসেবে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক (পশ্চিম) মোহাম্মদ মনিরুল হক, নগর পরিকল্পনা শাখার উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ মোহাম্মদ নূর-ই-খোদা, উপ-পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মোহাম্মদ আবদুল হামিদ মিয়া এবং উপ-পরিচালক (অর্থ) মো. জামাল উদ্দিনকে রাখা হয়েছে। এর আগে কেপিসি গ্রুপ গত বছর ৮ অক্টোবর অর্থমন্ত্রী বরাবরে লেখা চিঠিতে আগামী ২০১৭ সালের মধ্যেই টাওয়ারটি নির্মাণকাজ শেষ করতে সরকারের সহযোগিতা চান। এরপরই অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর, প্রকল্পটি কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে ও প্রকল্পে কি কি থাকবে তা নির্ধারণে পুরোদমে প্রাথমিক প্রস্তুতি নেয় রাজউক। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের কাজ ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। এরই মধ্যে প্রকল্পের বিভিন্ন ধরনের কাজের মধ্যে প্রায় ৬০ ভাগ শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ পুরোদমে চলছে। তবে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের কাজ শেষ হতে ২০১৮ সালের জুন মাস লেগে যাবে। মন্ত্রী বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে পূর্বাচলে কমপক্ষে ৪০ ভাগ বাসিন্দার আবাসনের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া পূর্বাচলের বিদ্যুৎ লাইন হবে মাটির নিচ দিয়ে। এখানকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সবই নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গড়ে তোলা হবে। আবাসিক জ্বালানির জন্য এলপি গ্যাসের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া ২৫ হাজার ১৬টি আবাসিক প্লটের পাশাপাশি এখানে ৬০ হাজার আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। পরিবেশবান্ধব এ শহরে সবুজ চত্বর, বাগান, বনাঞ্চলসহ সব সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে। গণপূর্তমন্ত্রী জানান, প্রকল্পের ভূমি উন্নয়নের কাজ ৮০ ভাগ, পূর্বাচল সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ ৬০ ভাগ, ৩২০ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ সড়ক নির্মাণের কাজ ২৫ ভাগ, কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ ৮৫ ভাগ, সার্ফেস ড্রেন ও ক্রস ড্রেনের কাজ ৩৮ ভাগ, সেন্ট্রাল আইল্যান্ড নির্মাণের কাজ ২৫ ভাগ, সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ ৫০ ভাগ, ভেতরের রাস্তায় ৬১টি ব্রিজ নির্মাণের কাজ ৫০ ভাগ, নদীর পাড় রক্ষার কাজ ৬০ ভাগ শেষ হয়েছে। ৪৭৭ দশমিক ২০ একর জমি নিয়ে ৪৩ কিলোমিটার লেক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

রিহ্যাবের আবাসন মেলা এবার কাতারে

রিহ্যাবের আবাসন মেলা এবার কাতারে

‘প্রবাসে উপার্জন স্বদেশে আবাসন` স্লোগানকে সামনে রেখে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী রিহ্যাব হাউজিং ফেয়ার কাতার-২০১৬। আগামী ২২ ও ২৩ জানুয়ারি কাতারের দোহায় এয়ারপোর্ট রোডের ক্রাউন প্লাজায় এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার রিহ্যাব সচিবালয়ে মেলায় অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝে স্টল বরাদ্দের লটারি অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিতব্য এ মেলায় ৫০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিবে। এর মধ্যে রিহ্যাবের সদস্য ছাড়াও বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রধান অতিথি হিসেবে রিহ্যাব হাউজিং ফেয়ারের উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদ। এসময় সভাপতিত্ব করবেন রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন। মেলায় কো-স্পন্সর হিসেবে থাকছে ৭টি প্রতিষ্ঠান। মেলায় এন্ট্রি এবং পার্কিং থাকছে সম্পূর্ণ ফ্রি।