বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

স্বাস্থ্য

বৃক্ষমানবের জিনের ত্রুটি নির্ণয়ে সাফল্য অর্জন তিন বাংলাদেশির

বৃক্ষমানবের জিনের ত্রুটি নির্ণয়ে সাফল্য অর্জন তিন বাংলাদেশির

দেশ-বিদেশে বহুল আলোচিত বৃক্ষমানবের ‘জিন’ ত্রুটি নির্ণয়ে অভাবিত সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশের তিন গবেষক। এরা হলেন— ডা. কেএম ফোরকান উদ্দিন ও ডা. মোঃ রোবেদ আমিন ও  বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান বৈজ্ঞানিক ডক্টর মোহাম্মদ উদ্দিন ড্যাফিল। এই তিনজন সম্প্রতি জেনম সিকোয়েন্সের মাধ্যমে খুলনার বৃক্ষ মানবী সাহানা খাতুনের জিনের ত্রুটি আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। আগামী অক্টোবরে আমেরিকার ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় জেনেটিসিস্টদের প্রধান প্লাটফর্ম ‘আমেরিকান সোসাইটি অব হিউম্যান জেনেটিক্স’ আয়োজিত ৬৭তম সায়েন্টিফিক কনফারেন্সে গবেষণাপত্র উপস্থাপনা করার জন্য তারা আমন্ত্রণ পেয়েছেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশি গবেষকদের এই কাজে সহযোগিতা করেছে কানাডার ‘হসপিটাল ফর সিক চিল্ড্রেন’ (সিককিডস)।

বার্ন ইনস্টিটিউট হবে শেখ হাসিনার নামে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বার্ন ইনস্টিটিউট হবে শেখ হাসিনার নামে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে ঢাকায় দেশের প্রথম বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নামকরণ করা হচ্ছে। রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান। মো. নাসিম বলেছেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে এই ইনস্টিটিউট করব। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের নামে কিছু করতে গেলে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের অনুমতি নিতে হয়। আমরা সেভাবেই অগ্রসর হচ্ছি। তিনি জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কাছে চানখাঁরপুলে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল সংলগ্ন জমিতে এই ইনস্টিটিউট নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী মাসেই প্রধানমন্ত্রী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বলে আমরা আশা করছি।

স্বল্পমূল্যের সেবা ‘নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র’ নজর কেরেছে সকলের

স্বল্পমূল্যের সেবা ‘নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র’ নজর কেরেছে সকলের

স্বল্পমূল্যের সেবা কেন্দ্র ‘নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র’ নজর করেছে সকলের। রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে। এতে স্বল্পমূল্যে সেবা পেয়ে আনন্দিত স্থানীয় সাধারণ মানুষ। এ কেন্দ্রে অভিজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে নরমাল ডেলিভারি করাতে খরচ হয় মাত্র ১ হাজার টাকা। রোগীদের ওষুধের ক্ষেত্রে বাজারের চেয়ে কম রাখা হয় শতকরা ১০ থেকে ২০ টাকা। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভায়া পরীক্ষার মাধ্যমে জরায়ুর মুখে ক্যান্সার নির্ণয় করা হয়। নগর মাতৃসদন ও নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে নির্যাতিত নারীদের কাউন্সেলিং, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং আইনি সহায়তার জন্য যথাযথ স্থানে রেফার করা হয়। এমনই তথ্য জানালেন সংশ্লিষ্টরা। নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র-২ এর প্রকল্প বাস্তবায়নে রয়েছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন।

মুখের লালা জানাবে অকালমৃত্যুর আশঙ্কা!

মুখের লালা জানাবে অকালমৃত্যুর আশঙ্কা!

আপনি কত বছর বাঁচবেন জানতে চাইলে কী বলবেন? বলবেন মৃত্যুর কথা কি আগাম জানা যায়? ভবিতব্যের হাতে সব ছেড়ে দিয়েছেন। তবে বলব ভুল ভাবছেন। আপনার মুখের লালাই বলে দেবে অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা আছে কি না। এমনই দাবি ব্রিটেনের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষকের। ব্রিটিশ গবেষকদের দাবি, মুখের লালায় অ্যান্টিবডির পরিমাণ কম থাকলে মৃত্যুর আশঙ্কা বাড়ে। পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, লালায় থাকে ইমিউনোগ্লোবিন-এ নামে অ্যান্টিবডি। এই অ্যান্টিবডির পরিমাণের উপর নির্ভরশীল মৃত্যুর হার। বিভিন্ন কারণে কমে যেতে পারে এই অ্যান্টবডির পরিমাণ। যেমন, স্ট্রেস, বয়স, ধূমপান, রোগভোগে। প্রায় ৬৩৯ জন লোকের উপর এই পরীক্ষাটি চালানো হয়। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে প্লস ওয়ান নামে জার্নালে।

বাংলাদেশে ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রকোপই সবচেয়ে বেশি

বাংলাদেশে ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রকোপই সবচেয়ে বেশি

বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশ রোগীই ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানিয়েছে জাতীয় ক্যান্সার ইন্সটিটিউট। সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশে ক্যান্সারে আক্রান্ত পুরুষদের মধ্যে শতকরা প্রায় ২৮ ভাগই ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং নারী-পুরুষ মিলিয়ে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৮ শতাংশ। নানান বয়সী প্রায় ১১ হাজার ক্যান্সার আক্রান্ত নারী ও পুরুষের উপরে গবেষণা করে বাংলাদেশে ক্যান্সারের প্রকোপ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতীয় ক্যান্সার ইন্সটিটিউট। জাতীয় ক্যান্সার ইন্সটিটিউট হাসপাতালের ক্যান্সার এপিডেমিওলজি বিষয়ক প্রধান ড. হাবিবুল্লাহ তালুকদার জানান, ধুমপানকেই ফুসফুসের ক্যান্সারের মূল কারণ হিসেবে তারা দেখেছেন এবং এরপরই রয়েছে বায়ুদূষণ। তবে শুধুমাত্র নারীদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই বেশি বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ড. তালুকদার জানান, ১০ বছর আগেও এক গবেষণায় তারা দেখেছিলেন বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের প্রকোপটাই বেশি। তবে এখন স্তন ক্যান্সারের রোগীই তারা বেশি দেখতে পাচ্ছেন। সার্বিকভাবে হাসপাতালে ক্যান্সারের রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানান তিনি।

দেশে জিকা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে জিকা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বাংলাদেশে জিকা ভাইরাসের আশঙ্কা নেই। এরপর সরকার উপযোগী ব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জিকা আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আগতদের রোগ শনাক্তে আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বারগুলোতে মেডিকেল টিম কাজ করছে। কারো শরীরে ভাইরাস শনাক্ত হলে তার সম্পূর্ণ চিকিত্সা সরকার দেবে। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জনগণের প্রতি আহ্বান, আপনারা আশ্বস্ত থাকুন এই ভাইরাস আমাদের দেশে কোনোভাবেই সংক্রমিত হতে পারবে না। সরকার জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে।

শীতের মৌমুমে শিশুর যত্ন

শীতের মৌমুমে শিশুর যত্ন

শীত চলেই যাচ্ছে। নতুন মৌসুম অসুখ-বিসুখ নিয়ে আসে। এই গরম-ঠাণ্ডার সন্ধিক্ষণে সব থেকে সমস্যায় পরে ছোট বাচ্চারা। বিশেষ করে যাদের বয়স ছ’বছরেরও কম। সমস্যা হল হঠাত শরীর খারাপ হলেও মুখ ফুটে বাবা-মাকে সেটা জানানোর ক্ষমতা থাকে না তাদের। সে ক্ষেত্রে আগে সতর্ক হোন বাবা-মায়েরা। একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে আপনার আদরের সন্তানকে অনেক ধরণের শারিরীক অসুস্থতা থেকে থেকে দূরে সরিয়ে রাখা যাবে। ১)এই সময় বাচ্চাদের একদম ঠাণ্ডা লাগতে দেবেন না। যতটা সম্ভব তাদের গরম জামা কাপড় পরিয়ে রাখুন। অনেক সময় আপনাদের হয়ত মনে হবে, ঠিক শীত শীত করছে না। কিন্তু নিজেকে দিয়ে কখনই বাচ্চাদের বিচার করবেন না। বাচ্চারা আসলে অনেক বেশি সংবেদনশীল, চট করে তাদের ঠাণ্ডা লাগার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। তাই এখন থেকেই, বিশেষ করে রাতের বেলা ছোট ছোট বাচ্চাদের গরম পোশাকে ঢেকে রাখুন। ২)মৌসুম বদলালে অনেক সময়ই খুসখুসে কাশি, হাঁচিতে ভোগে বাচ্চারা। এ রকম হলে কখনই বাচ্চাকে আগে ভাগে অ্যান্টিবায়োটিক খাইয়ে দিবেন না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় এর কারণ আসলে ভাইরাল সংক্রমণ। সে ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকে কোনও কাজই হয় না। বরং হিতের বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। অকারণ অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের ফলে শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক রেসিসট্যান্ট তৈরি হয়। পরবর্তীকালে অসুখ হলে ওষুধে সারার সম্ভাবনা কমে। ৩)নাক বন্ধ হয়ে গেলে দিনে অন্তত দুই তিন বার সাধারণ স্যালাইন নেসাল ড্রপ ব্যবহার করুন। জ্বর হলে খাওয়ান প্যারাসিটামল সিরাপ। বাড়াবাড়ি হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ৪)এই সময় বাচ্চারা প্রায়শই রেসপিরেটরি ট্রাক ইনফেকশনে ভোগে। খেয়াল রাখুন, ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় আপনার সন্তান সাঁইসাঁই শব্দ করছে না তো? এরকম হলেই অতিরিক্ত সতর্ক হন। যদি সম্ভব হয় বাড়িতে হিটার রাখুন। না হলে, ছোট শিশুদের শরীর গরম রাখার দিকে মন দিন। একদম ছোট বাচ্চাদের যতটা সম্ভব মায়ের কাছাকাছি থাকাই ভাল। এই সময় মায়ের বডি কন্ট্যাক্টে, মায়ের শরীরের তাপ শিশুদের সুস্থ্ থাকতে সাহায্য করে। ৫)শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে বিলম্ব না করে ডাক্তারের শরনাপন্ন হন।

পায়ুপথে ঘনঘন বায়ুত্যাগ সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ!

পায়ুপথে ঘনঘন বায়ুত্যাগ সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ!

অপানবায়ু নিয়ে অনেক গল্পই শোনা যায়। গোপালভাঁড়ের কথাই ধরুন। একসময় বায়ুত্যাগে গোপাল প্রদীপ নেভাতেন! তবুও, আমরা অতি সন্তর্পণে পায়ুপথে বায়ু নিঃসরণের সময়, বেলাগামে, যদি কখনও-বা নীরবতা ভাঙি, বড়ই লজ্জিত হয়ে পড়ি। গোপনও কম্মটি রবে না গোপনের লজ্জায় বড় অপ্রস্তুত মুখ। তবে, সবাই যে লজ্জিত হন বা সংকোচ বোধ করেন, তেমনটা নয়। বাসেট্রেনে এমন অনেকেই ওঠেন, ঘোরেন, যারা লোকলজ্জার তোয়াক্কা না করে, ভরা হাটে হাঁড়ি ভাঙার মতো সশব্দে বাতকম্ম সারেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পায়ুপথে ঘনঘন বায়ুত্যাগ সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। ফলে, যারা ঘন ঘন বায়ুত্যাগ করেন, তাদের লজ্জিত না হয়ে, স্বাভাবিক কর্মটি স্বাভাবিক ভাবেই নেওয়া উচিত। অতএব অন্ত্রে গ্যাস জমিয়ে না রেখে, পেট খালি করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তাতে শরীরও ভালো থাকবে। মনও ফুরফুরে। সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে কোপেনহাগেনের এই গবেষকারা উল্লেখ করেন, তারা দেখেছেন, ঠিকঠাক খাবার যারা গ্রহণ করেন, তাদেরই ঘন ঘন পায়ুপথে বায়ু নির্গত হয়। তাদের দাবি, খাবারে থাকা গোটা শস্যদানা, ঘন ঘন বাতকম্মের একটা কারণ। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যাদের খাদ্যতালিকায় গোটা শস্যদানা থাকে না, তাদের বায়ুত্যাগও কম হয়। শুধু তাই নয়, তাদের মধ্যে স্থুলতাও দেখা যায়। অল্প পরিশ্রমে তারা কাহিল হয়ে পড়েন। গবেষকরা দেখেছেন, খাবারে গোটা শস্যদানা থাকলে, তা অন্ত্র অবধি আসতে অনেকটা সময় নেয়। অন্যদের তুলনায় তাদের বেশিবার শৌচাগারেও যেতে হয় মলত্যাগ করতে। খাবারে গোটা শস্যদানা না-থাকলে, রক্তে শর্করার পরিমাণও স্বাভাবিকের তুলনায় কমে আসে। যে কারণে, তারা অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

নারীদের অন্তঃসত্ত্বা না হওয়ার অনুরোধ!

নারীদের অন্তঃসত্ত্বা না হওয়ার অনুরোধ!

দয়া করে অন্তঃসত্ত্বা হবেন না! দেশ জুড়ে এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়। আর এই নির্দেশনার কারণ ‘জাইকা’ নামে এক প্রকার ভাইরাস। মশা-বাহিত ভাইরাসটি এক জনের দেহ থেকে ছড়িয়ে পড়ছে অন্যের দেহে। এ থেকে রেহাই পাচ্ছেন না অন্তঃসত্ত্বারাও। ফলে মায়ের থেকে ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটছে সদ্যোজাত সন্তানের শরীরে। এর পরিণতি, ‘মাইক্রোসেফালি’, যা এক ধরনের নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার বা স্নায়ুতন্ত্রে অস্বাভাবিকত্ব। এ রোগে অপরিণত মস্তিষ্ক নিয়ে জন্ম হচ্ছে শিশুর। শেষে মৃত্যু, না হয় পঙ্গু-জীবন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, পরিবার পরিকল্পনা..., এটা একেবারেই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, কিন্তু এই পরিস্থিতিতে এমন অনুরোধ করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। এ মুহূর্তে ব্রাজিলের ২০টি রাজ্যের অন্তত ২৪০০ মানুষ মাইক্রোসেফালিতে আক্রান্ত। এই ভাইরাসে ২৯টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ছ’টি রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ব্রাজিলের অবস্থা সব চেয়ে খারাপ। শুধু পেরনামবুকো রাজ্যেই আক্রান্ত ৯০০ জন। উত্তর-পূর্বেই প্রথমে সীমাবদ্ধ ছিল রোগটি। কিন্তু পরে রিও ডি জেনেইরো, সাও পাওলোতেও সদ্যোজাতদের মাইক্রোসেফালি ধরা পড়ে। কী এই ‘মাইক্রোসেফালি’? এক ধরনের স্নায়ুরোগ। অপরিণত মস্তিষ্ক নিয়ে জন্ম হয় শিশুর। শরীরের অন্য অংশের তুলনায় মাথা অনেক ছোট হয়। বয়স বাড়লেও মাথার খুলি বাড়ে না। কিন্তু বাড়তে থাকে মুখমণ্ডল। ফলে মুখ ক্রমশ অস্বাভাবিক চেহারা নিয়ে এগিয়ে আসতে থাকে মাথা থেকে। দেহের স্বাভাবিক বাড়বৃদ্ধি ঘটে না। কথা বলার ক্ষমতাও তৈরি হয় না। বহু ক্ষেত্রে মৃত্যু হয় শিশুটির। ব্রাজিলে এ পর্যন্ত সব শিশুরই মৃত্যু হয়েছে। কী ভাবে ঘটছে এই রোগ? ভ্রূণের মাথায় রক্ত কম পৌঁছলে বা জিনগত সমস্যায় অনেক সময় এই রোগ হয়। ব্রাজিলে কিন্তু রোগ ছড়াচ্ছে একটি ভাইরাস। চিকিৎসকরা জানান, গত মাসে এ দেশে দারুণ ভাবে মাথাচাড়া দেয় মাইক্রোসেফালি। ঘটনাচক্রে দেখা যায়, ‘জাইকা’ নামে একটি ভাইরাসেরও সংক্রমণ ঘটছে ব্রাজিলে। এর পর মাইক্রোসেফালি-তে আক্রান্ত এক শিশুর দেহের ময়নাতদন্ত করে দেখা যায়, সে জাইকা-তে আক্রান্ত হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে আরও বিশদে অনুসন্ধান চালিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেন, গর্ভবতী থাকাকালীন ওই শিশুটির মায়ের শরীরে জাইকা-র সব উপসর্গই ছিল। মাঝেমধ্যে হাল্কা জ্বর, সারা গায়ে ডেঙ্গির মতো লালচে দাগ, গায়ে হাতে পায়ে ব্যথা ইত্যাদি।দুইয়ে দুইয়ে চার করেন তারা। পরে দেখা যায় মাইক্রোসেফালিতে আক্রান্ত সব সদ্যোজাতের মা-ই জাইকা আক্রান্ত হয়েছেন। কী এই ‘জাইকা’? এটি ডঙ্গু, জাপানি এনসেফ্যালাইটিস, ইয়োলো ফিভার গোত্রীয় ভাইরাস। এর প্রথম সন্ধান মেলে ১৯৪৭ সালে আফ্রিকার উগান্ডায় জাইকা অরণ্যের রিসাস বাঁদরের শরীরে। মানুষের দেহে এটি পাওয়া যায় ১৯৬৮ সালে, নাইজেরিয়ায়। এর পর একে একে তানজানিয়া, মিশর, সিয়েরা লিওন, গ্যাবন আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে খোঁজ মিলতে থাকে ভাইরাসটির। ক্রমে আফ্রিকা থেকে এশিয়া। ভারত, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, তাইল্যান্ড, ভিয়েতনামেও সংক্রমণ ঘটে। এ ভাবে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা দায়ী করেন এডিস মশাকে।

রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালে আগুন, নিরাপদে রোগীরা

রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালে আগুন, নিরাপদে রোগীরা

রাজধানীর গ্রিন রোডের সেন্ট্রাল হাসপাতালে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট। তাদের চেষ্টায় বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অবশ্য তার আগেই চিকিৎসাধীন রোগীদের হাসপাতাল থেকে দ্রুত সরিয়ে নেয়া হয়। দুপুর পৌনে ২টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত। হাসপাতালটির গ্যারেজ থেকে আগুন লাগে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তবে কি কারণে আগুন লেগেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার ব্রিগেডকর্মীরা জানাতে পারেনি। এদিকে আগুন লাগার পরপরই রোগী ও হাসপাতালের কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে সবাই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসে। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

সুস্থতার জন্য যোগ ব্যায়াম-দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন

সুস্থতার জন্য যোগ ব্যায়াম-দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন

যোগ ব্যায়াম (ইয়োগা) মানসিক চাপ দূর করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হূদরোগ প্রতিরোধও করে। ঘুমও ভালো হয় যোগ ব্যায়ামে। মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বিধানের জন্য প্রাচীন ভারতে উদ্ভূত যোগ ব্যায়াম প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বহু দেশে এখন বেশ সমাদৃত। এই যোগ ব্যামায়ের প্রসারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গতকাল মঙ্গলবার পালিত হয়েছে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘে ভাষণ দেয়ার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করার প্রস্তাব দেন। সেই বছরই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করে।